Sunday, June 25, 2023


"আমরা বিয়ের জন্য সবসময় শুধু 'স্ত্রী' খুঁজি,কিন্তু অনাগত সন্তানের জন্য যোগ্য 'মা' খুঁজি না। যে কারণে আমাদের স্ত্রীদের ঔরসে খালিদ বিন ওয়ালিদ, সালাহউদ্দিন আল আইয়ুবী, ফাতিহ সুলতান ২য় মুহাম্মদের মতো ব্যক্তিরা জন্ম নেয় না।"

.

আজকে শাইখ আবুল হাসান আলী নদবী (রহিঃ)-এর "মুসলিম উম্মাহর পতনে বিশ্বের কি ক্ষতি হলো?" বইটা পড়া মাত্রই আবার হঠাৎ কথাটা মনে পড়লো।


আসলেই তো! আমরা কি "সন্তানের মা" খুঁজেছি কখনো? "স্ত্রী" না খুঁজে "সন্তানের মা" খোঁজার যোগ্যতা তো তারাই রাখে, যাদের "সন্তানের পিতা" হওয়ার মন-মানসিকতা আছে।


'স্ত্রী' তো শুধু তারাই খোঁজেন, যারা শুধুমাত্র জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে চান।যাদের জীবনে স্ত্রী নামক মানুষটি শুধুই প্রয়োজন।আর "সন্তানের মা" বা প্রকৃত 'নেককার স্ত্রী' তারাই খোঁজেন যারা দ্বীন ও উম্মাহকেন্দ্রিক চিন্তা-ভাবনা করেন।

.

সালাহউদ্দিন আল আইয়ূবী ছোটবেলায় মাটিতে বসে বালি নিয়ে খেলা করছিলেন। তখন তাঁর পিতা এসে তাকে বললেন, "আমি তোমার মা-কে এই কারণে বিয়ে করিনি যে তুমি মাটিতে বসে খেলা করবে। আমি তোমার মা-কে বিয়ে করেছি যেনো আমাদের ভবিষ্যৎ সন্তান পরাধীন কুদসের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে পারে।"


সুবহানাল্লাহ! একটা শিশুকে যদি ছোটবেলা থেকেই আপনি শুধু আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা দিয়েই বড় করে তুলেন, তাহলে সে সফল হবে না তো কে সফল হবে?হিত্তিনের প্রান্তর আজও তার সাক্ষী!

.

সুলতান ২য় মুহাম্মদকে ছোটবেলায় তাঁর মা হুমা হাতুন কন্সটান্টিনোপোলের(বর্তমান ইস্তাম্বুল) সীমানায় নিয়ে যেতেন।কুস্তুন্তুনিয়ার সুউচ্চ দেয়ালগুলোর দিকে আংগুল তুলে বলতেন,"বাবা, ওই দেয়াল তোমাকে পাড় করতে হবে। আজ থেকে ৭০০ বছর আগে এই শহর বিজয়ীকে আমাদের প্রিয়নবী মুস্তফা ﷺ 'উত্তম শাসক' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তুমি কি চাও না সেই মর্যাদা লাভ করতে?"


সুলতানের শিক্ষক শাইখ শামসুদ্দীন আগা (রহ) তাঁর অন্তরে খোদাই করে দিয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ সে হাদিস,‘অবশ্যই কসতুনতুনিয়া (কনস্টান্টিনোপল) এক ব্যক্তির হাতে বিজিত হবে। সেই শাসক কতই না উত্তম আর সেই বাহিনী কতই না উত্তম বাহিনী!’ 

(মুসনাদে আহমাদ)


সদ্য টিনএজ পেড়োনো ২১ বছর বয়সী সুলতান ২য় মুহাম্মদের দুর্দান্ত একক কৌশলে বাইজান্টাইনের বাঘা বাঘা জেনারেলরাও নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলো।কেউ কি ভেবেছিলো? ২১ বছর বয়সী "ছোকড়া" ডাংগায় জাহাজ চালিয়ে অজেয় গোল্ডেন হর্নের দখল নিবে?


এগুলো এমনি এমনি হয়না রে ভাই,যেকোন নারীর গর্ভে এমন সন্তান আসেনা,বাস্তবে আল্লাহ ও রসূলﷺ

 এর প্রকৃত আনুগত্যশীল,পবিত্র অন্তর ও নেক চরিত্রের নারীরাই কেবল আল্লাহর প্রিয় বান্দা জন্ম দিতে সক্ষম।

প্রয়োজন পূরণে স্ত্রী না কি সন্তানের জন্য উপযুক্ত নেককার মা
June 25, 2023

প্রয়োজন পূরণে স্ত্রী না কি সন্তানের জন্য উপযুক্ত নেককার মা

Thursday, March 16, 2023


 ৬টি বছর কারাগারে কাটাতে হয়েছিলো। কথা বলার লোক নেই আমি একলা নির্জন কারাগার। কথা বলার লোক নেই পড়ার বই নেই সাড়া দিন গাছের নিচে বসে সময় কাটাতাম দুর বিষয় যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়েছে। ৬টি বছর আমার স্ত্রীকে তারা জেলে নিয়ে গেছিলেন। আড়াই বছর তারা জেলে ছিলো আমার শিশু-সন্তান জেলে নিয়ে গিয়েছিলো। 


তার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছিলো। আমি চাঁদ দেখতে পাড়ি নেই ৬বছর, তাঁরা দেখতে পাড়ি নেই ৬বছর ১২টি ঈদে অংশ গ্রহণ করতে পাড়ি নেই ৬বছর। ইফতারের সময় যে  ইফতার দিত তখন আমি বলেছিলাম। আমাকে মিষ্টি দিতে পাড়বেন। ডি,আই,জি বলেছিলেন এর বেশি বরাদ্দ বেশি দেওয়া যাবে না। এসব কথা মনে আছে। সে দিনের কথা সরণ করে। আমি একটি কবিতা লেখেছিলাম-


ওরা আমার সকল অনুভূতি আর চিন্তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। সে কথা লিখতে চেয়েছি কিন্তুু আমি লিখতে পারি নাই। শুধু জানি বাইরের পৃথিবীতে গ্রীস্ম, বর্ষা, শীত আর বসন্ত আসে। শরৎ চলে যায় হেমন্তরা মিশে থাকে সকল স্বপ্নে সাথে। আমি লিখতে পারি না। চোত্রের ঝরা পাতার কথা লিখতে পারিনা। একখণ্ড সাদা কাগজ কলম সারাদিন ভাবি কাগজ। আর কলমের কথা কতদিন অখন্ড দেখেনি। আমার আত্মার ভিতরে রক্ত দেখেছি। নক্ষত্রের আলো কতদিন দেখিনি নদী কিংবা সমুদ্র নদীর ঢেউ আর সমুদ্র তরঙ্গ শব্দ শুনেছি হৃদয়ের কান্না সেই কান্না সেদি বেয়ে আজ আমি সংসদে এসেছি।


অনেক দুঃখ বেদনা অতিক্রম করে। আমি নতুন বাংলা স্বপ্ন দেখেছিলাম। এখনো স্বপ্ন দেখি আশাকরি আমার স্বপ্ন যেন আল্লাহ পূরণ করেন।

কথা: হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ।                                  লেখক: মোঃ মেহেদী হাসান মিয়া (ব্লগার)

আমি চাঁদ দেখিনি ৬বছর, তারা দেখিনি ৬বছর।
March 16, 2023

আমি চাঁদ দেখিনি ৬বছর, তারা দেখিনি ৬বছর।

Thursday, December 1, 2022

 SSC, HSC যা-ই হোক না কেন, কোনো লাভ নাই। এই সব GPA- 5 এ কোনো ফিউচার নাই।

GPA-5 পেয়ে নিজেকে মেধাবী মনে হয় ফলে মেধা অনুযায়ী অনেক যোগ্য জবকে তুচ্ছ মনে হয়। প্রত্যাশা অনেক বড় হয়ে আকাশ ছোঁয়ার শখ জাগে।



অতঃপর 

গ্রাজুয়েশন, পোষ্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করে জব মার্কেটে প্রকৃত মেধাবী দের সাথে প্রতিযোগিতায় হেরে যেতে হয়। অনেক প্রকৃত মেধাবীরাও রাজনৈতিক কর্মকর্তা ও সরকারী আমলাদের লবিং বানিজ্যের কারনে যোগ্যতা থাকার পরেও টাকার অভাবে হেরে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত । 


বয়স যত বাড়বে পরিবারের সাপোর্ট ততো কমে যাবে, বিবাহ করতে বিলম্ব হবে। নিজেকে অযোগ্য মনে হবে। আর ঐ সব বন্ধুদের দেখে হিংসা হবে যারা HSC শেষ করে সেনাবাহিনী বা পুলিশে যোগদান করেছে বা ছোটখাটো বিজনেস শুরু করে এখন বিজনেস কে প্রতিষ্ঠিত  করে আবার বিবি বাচ্চার ছবি ফেসবুকে আপলোড দিচ্ছে। 

সোজা কথা HSC এর পর থেকেই অনার্স পড়ার পাশাপাশি অল্প উপার্জন হয় এমন ছোট খাটো ব্যবসায়ে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।।

লেখাপড়া করে মানুষ কর্মকর্তা হয় আর বিজনেস করে ঐসব কর্মকর্তাদের মালিক হওয়া যায়।

ছোট সিলেবাসে বড় সাফল্য কথাটি ভুল
December 01, 2022

ছোট সিলেবাসে বড় সাফল্য কথাটি ভুল

Monday, June 27, 2022

mehedi84hasan

 আইটি  সেক্টরে  যারা  কাজ  করেন  বা  মোটামুটি দখল  আছে  তারা  ‘বাগ বাউন্টি প্রোগ্রাম’  সম্পর্কে জানার  কথা।  বিশ্বের  বিখ্যাত-প্রখ্যাত  সফটওয়ার নির্মাতা,  ওয়েব  পেইজ  এর  মালিক  এবং  সোস্যাল নেটওয়ার্কিং  সাইটের  মালিকরা  তাদের  সফটওয়ার, ওয়েব  পেইজ  কিংবা  সাইটের  মধ্যে  থাকা  বাগ (প্রোগ্রামিং এর ভুল কিংবা নিরাপত্তা ঝুঁকিপুর্ন কোডিং) ধরিয়ে  দিতে  পারলে  বড়  অংকের  টাকা  পুরষ্কার দেন।  নিজেদের  ভুল  ধরিয়ে  দিলে  এই কোম্পানী গুলো  কেন  টাকা  দেয়?  কারণ - এর  ফলে  তাদের প্রোডাক্ট  আরও  ভালো  হয়,  প্রোডাক্ট  এর  নিরাপত্তা বৃদ্ধি  পায়।

 

বাংলাদেশে  আজ  ঘটেছে  এক  আজব  ঘটনা! বায়েজিদ  তালহা  নামে  এক  লোক  পদ্মা  সেতুর কংক্রিট  এর  কাঠামোর  সাথে  আটকে  রাখা ইস্পাতের  রেলিং এর  বল্টু  থেকে  নাট  গুলো  খুলে ফেলেছে।  এটা  খোলার  ভিডিও  সে  সামাজিক মাধ্যমে  ছেড়েছে  এবং  বলেছে-  “এই  হলো  পদ্মা সেতু  আমাদের।  হাজার  হাজার  কোটি  টাকার  পদ্মা সেতু।”

 

যে  দেশে  ম্যানহোল  এর  ঢাকনি  থেকে  শুরু  করে রেল  লাইনের  স্লিপার  পর্যন্ত  চুরি  হয়ে  যায়,  সেই দেশে  এই  লোকটি  কেন  পদ্মা  সেতুর  এই  দুর্বলতা দেখাতে  গেল!  তার  তো  উচিত  ছিল - আরো কিছু নাট-বল্টু  খুলে  সেগুলো  ভাঙ্গারী  দোকানে  বিক্রী করে  দেয়া।  তাহলে  এই  বাংলাদেশের  চোরেরা  খুশি হতো।  কিছুদিন  পরে  আরো  অনেকে  নাট-বল্টু  খুলে ব্রিজের  রেলিং  হাপিস  করে  দিলে  নতুন  রেলিং লাগানোর  জন্য  আরও  কয়েক’শ  কোটি  টাকার বাজেট  করা  যেত, তাই  না!

 

বায়েজিদ  যা  করেছে  এটা  যদি  ইউরোপ  আমেরিকা বা  কোন  সভ্য  দেশে  ঘটতো,  তাহলে  সেতু কর্তৃপক্ষের  কয়েকজন  ইঞ্জিনিয়ার  সাসপেন্ড  হবার পাশপাশি  ঠিকাদার  কর্তৃপক্ষকে  বিরাট  অংকের জরিমানা  গুনতে  হতো,  পাশাপাশি  ‘বাগ হান্টার’ হিসেবেs  বায়েজিদ  পেত  বড়  অংকের  পুরষ্কার।

 

কিন্তু  এটা  বাংলাদেশ,  তাই  চোর  ধরিয়ে  দেয়া বায়েজিদ  গ্রেফতার  হয়ে  জেলে,  আর  চোরেরা  হাসে-খেলে।

copyright with facebook

পদ্মা সেতু নাট খুলেছে বায়েজিদ তালহা
June 27, 2022

পদ্মা সেতু নাট খুলেছে বায়েজিদ তালহা

Wednesday, January 26, 2022

বিষয়ঃ- ইভটিজিং ও ধর্ম ।  বেশ কিছু দিন আগে আমার পরিচিত একব্যক্তির সাথে রাস্তাদিয়ে হাঠছিলাম। এমন সময় কথপোকথনের মাঝে হঠাৎত দেখতে পেলাম। যে একটা সাধারণ মেয়ে পাশকেটে হেটে যাচ্ছিলো। পরনে তার পোশাক ছিলো মর্ডান মানে পর্দাহিন, কিন্ত আঁটোসাটো হালকা ঢিলা ও সামান্য পাতলা মানে বুঝচ্ছেন তো পোশাক একেবারে পাতলাও না। যাতে করে শরীরের ভিতরের সব দেখা যায় এমনও নয়। মর্ডান টাইপের পর্দা করা ও মাথার উপর স্কার্ভ বাধা।   সেই মেয়ে টাকে দেখে,আমার পরিচত সঙ্গে থাকা সেই ব্যক্তি প্রথমে তাকে বললো মাশাআল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ তারপরে বললো লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ আসতাগফিরুল্লাহ তখন সংঙ্গে সংঙ্গে আমি বুঝতে পারলাম যে,তিনি মেয়েটাকে দেখে স্টিচ করলো { ইভটিজিং } ।   বর্তমানে যে ভাবে সেই পরিচিত ব্যক্তি ইভটিজিং করলেন।তাতে মনে হলো ইভটিজিং এর মাএা ধর্মীও দিকে চলেগেছে। ধর্মীও লেবাসের বেশে, ধর্মীও লেভেলের ইভটিজিং হচ্ছে বতর্মান সমাজে। এরকম হতে থাকলে সমাজে, তাহলে আমরা কোথায় যাবো ও ধর্ম অবমাননার নতুন এরকম দিক আরো তৈরি হয়ে ছড়িয়ে পড়বে সমাজে। সেই সাথে বিতর্ক তৈরি হবে ইসলাম ধর্ম নিয়ে। এখনই এ বিষয়ে সচেতনা তৈরি নিয়ে সকল আলেমসমাজ কে কোরআন ও সহীহ্ হাদিসের আলোকে জনমত গড়ে তুলতে হবে।

বেশ কিছু দিন আগে আমার পরিচিত একব্যক্তির সাথে রাস্তাদিয়ে হাঠছিলাম। এমন সময় কথপোকথনের মাঝে হঠাৎত দেখতে পেলাম। যে একটা সাধারণ মেয়ে পাশকেটে হেটে যাচ্ছিলো। পরনে তার পোশাক ছিলো মর্ডান মানে পর্দাহিন, কিন্ত আঁটোসাটো হালকা ঢিলা ও সামান্য পাতলা মানে বুঝচ্ছেন তো পোশাক একেবারে পাতলাও না। যাতে করে শরীরের ভিতরের সব দেখা যায় এমনও নয়। মর্ডান টাইপের পর্দা করা ও মাথার উপর স্কার্ভ বাধা। 


সেই মেয়ে টাকে দেখে,আমার পরিচত সঙ্গে থাকা সেই ব্যক্তি প্রথমে তাকে বললো মাশাআল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ তারপরে বললো লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ আসতাগফিরুল্লাহ

তখন সংঙ্গে সংঙ্গে আমি বুঝতে পারলাম যে,তিনি মেয়েটাকে দেখে স্টিচ করলো { ইভটিজিং } । 


বর্তমানে যে ভাবে সেই পরিচিত ব্যক্তি ইভটিজিং করলেন।তাতে মনে হলো ইভটিজিং এর মাএা ধর্মীও দিকে চলেগেছে। ধর্মীও লেবাসের বেশে, ধর্মীও লেভেলের ইভটিজিং হচ্ছে বতর্মান সমাজে। এরকম হতে থাকলে সমাজে, তাহলে আমরা কোথায় যাবো ও ধর্ম অবমাননার নতুন এরকম দিক আরো তৈরি হয়ে ছড়িয়ে পড়বে সমাজে। সেই সাথে বিতর্ক তৈরি হবে ইসলাম ধর্ম নিয়ে। এখনই এ বিষয়ে সচেতনা তৈরি নিয়ে সকল আলেমসমাজ কে কোরআন ও সহীহ্ হাদিসের আলোকে জনমত গড়ে তুলতে হবে।

ইভটিজিং ও ধর্ম
January 26, 2022

ইভটিজিং ও ধর্ম

Thursday, December 10, 2020


 আমাদের জীবনে বিদ্যালয়ের শেষ দিন টি অশ্রুসিক্ত, বেদনা বিধুর।

এই বিদ্যালয় আমাদের জীবনের মধুময় শৈশব পড়ে আছে। জীবনের কত আনন্দ বিস্বাদে কত স্মৃতি। কত বন্ধুর বন্ধুত্ব, কত শিক্ষকের স্নেহ শাসন উপদেশ। এতদিনের মিলনের মেলা ভেঙে চলে যেতে হচ্ছে-- অজানা ভবিষ্যতের দিকে। কতো আনন্দই না করেছিলাম স্কুল জীবনে। স্কুল জীবনের মতো সময় আর কোনদিন আসবেনা আমাদের জীবনে। স্কুল জীবনী হলো আনন্দ করার মূল স্থান।



 আজ দেখতে দেখতে দুই বছর কেটে গেল। স্কুলে থাকাকালে সমস্ত বন্ধু-বান্ধবী একসঙ্গে খেলাধুলা ,নাচ-গান প্রভৃতি করতাম। বন্ধুবান্ধবের মধ্যে কতইনা ছিল মিল। কিন্তু আজ সবাই আলাদা। স্কুল জীবন শেষ করার পর এই যে যার নিজস্ব রাস্তা খুঁজে নিতে থাকেন। আজ মনে হয় সত্যিই স্কুল লাইফ ইজ বেস্ট। এই লাইফটা তুমি কেঁদে মরে গেলেও আর পাবে না।

  মনে পড়ে সেই দিনের কথা যেদিন স্কুল থেকে বিদায় নেবার সেই দিনটির কথা‌। বিদায় জানাবার জন্য বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন। ছাত্র বন্ধুদের বিদায় সম্ভাষণ, শিক্ষক মহাশয় গণের আশীর্বাদ, ফুল এবং বিদায় সংগীতে আমাদের জীবনের মধুরতম অধ্যায়ের উপর অশ্রুসিক্ত যবনিকাপাত।
বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতি আমাদের জীবনে চির অক্ষয় হয়ে থাকবে।।
বিদ্যালয়ের শেষ দিন ২
December 10, 2020

বিদ্যালয়ের শেষ দিন ২

সামনেই আসছে জীবনের দ্বিতীয় বড় পরীক্ষা,তারপরই ঘটবে কিছু অধ্যায়ের সমাপ্তি রচনা।হাজার স্মৃতির ভিড়ে চেনা মুখ গুলো যাবে হারিয়ে,হে ভগবান দেবে কী আবার ছেলেবেলাটা ফিরিয়ে ?


প্রিয় টিউশন ব্যাচ গুলোয় আর হবে না যাওয়া,হবে না আর পড়ার শেষে ফুচকা, ঝালমুড়ি খাওয়া।কিছু পরিচিত স্যার, বন্ধুত্ব, পাগলামি সব শেষ হবে,কে জানে আবার কবে কোন পথের বাঁকে দেখা হবে ?
স্কুলের ঘর গুলোতে থাকবেনা আর কোনো অধিকার,


এই ঘরেতে গড়েছি কত ভবিষ্যতের স্বপ্ন পাহাড়।স্কুল ইউনিফর্মটা পড়ে থাকবে ঘরের কোণে একলা,নতুন জীবন শুরু হবে এবার শেষ হবে ছেলেবেলা।এবার শুরু জীবনের পথে বড় হয়ে ওঠার খেলা,হারিয়ে যাবে সেই সরস্বতী পুজোয় স্কুলের সামনে পাঞ্জাবী-শাড়ীর মেলা।জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলো হবে শেষ,
এখন মনে হয় কেনো বড় হলাম ছোট্ট ছিলাম ভালোই বেশ।
বিদ্যালয়ের শেষ দিন
December 10, 2020

বিদ্যালয়ের শেষ দিন