নিঃস্বার্থ ভালবাসার জয়
১.
""""""""""""
এইযে এখানে একাকী বসে কি করছেন?কথাটা শুনে পিছন ফিরে তাকালাম।
আ আ আপনি?(আমি)
হুম আমি নাবিলা,এত অবাক হবার কিছু নেই মি.পরীর বর।(নাবিলা)
যার নামই অবাক সে আর কি অবাক হবে?(আমি)
ও আচ্ছা তাই বুঝি?(নাবিলা)
জি তাই।(আমি)
ভাল।তা মি.পরীর বর
আমার প্রশ্নের উত্তরতো দিলেন না??(নাবিলা)
তার আগে বলেন আপনি আমাকে ফলো করেন কেন?(আমি)
কই ফলো করি? এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম, আপনাকে দেখে আসলাম।(নাবিলা)
আচ্ছা মিস নাবিলা আমরা যেন কোথায় চাকুরি করি?(আমি)
এটা কেমন প্রশ্ন?আমরা বনানীতে চাকুরি করি।(নাবিলা)
আর আপনার বাসাটা যেন কোথায়?(আমি)
উত্তরা।(নাবিলা)
আপনি কি জানেন আমরা এখন চন্দ্রিমা উদ্যানের ভিতর। আর সময়টাও সন্ধ্যা ৭.২৫। (আমি)
হুম আসলে এদিকে একটা কাজে আসছিলাম তা.....।(নাবিলা)
ঐ চুপ,একদম চুপ।আমি মিথ্যা পছন্দ করি না।সমস্যা কী তোর?? আর যদি আমাকে ফলো করিস তবে তোর খবর আছে। (আমি)
আমিতো আপনাকে ভালবাসি।আপনাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না।(নাবিলা)
এক কথা বার বার বলতে আমার ভাল লাগে না।এর আগেও অনেক বার বলেছি আজও বলছি আমি তোকে ভালবাসি না।কেন আমাকে বিরক্ত করিস??আর কী বললি বাঁচতে পারবি না? ওকে যা মর গিয়ে।(আমি)
হ্যা তাই মরব,আমি প্রমাণ করে যাব যে আমি আপনাকে কতটা ভালবাসি। আমি আপনার চাওয়াকেই সফল করব।আর কখনো আপনাকে বিরক্ত করব না।
বলেই দৌড়ে চলে গেল নাবিলা। যাবার সময় ওর দুটি চোখে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল।এসব দেখেও আমার এতটুকু মায়া হয়নি।আর কখনো হবেও না। আমি শুধু জানি মেয়েরা ছলনাময়ী, এরা কাউকে ভালবাসতে পারে না।নিজের স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে এদের ভালবাসাও ফুরিয়ে যায়।তখন হেসে হেসে বলে আপনার প্রতি আমার ফিলিংস কাজ করে না।আরে ভাই বলনা আপনার চাইতে ভাল মাল্লু ওয়ালা ছেলে পাইছি।তা না যত দোষ দিবে ফিলিংসের।তাই আমি এসব প্রেমটেমে জড়াতে চাই না। কি ভাবছেন আমি এমনিতেই বলছি?একদম না। আমার জীবনে দু দুবার এমন হয়েছে।
কিন্তু নাবিলার সাথে এমন খারাপ ব্যবহার করাটা কি ঠিক হল?রাগের মাথায় যদি সত্যি কিছু করে বসে?
হুর করলে করবে, তাতে আমার কী?আমিতো আর ওকে ভালবাসিনা।যা হবার হবে আমার তাতে কিছু যায় আসে না।
২.
""""""""""""
ক্রিং ক্রিং ক্রিং
রনির ফোন এ অসময়ে?
হ্যালো রনি বল।
কিরে নবাব কই তুই?(রনি)
আমি বাসায়।
পিছন থেকে কে যেন জোড়ে থাপ্পর মারল।ঘুরে তাকাতেই দেখি রনি।
তুই এখানে?
হুম আমি।আমার বাসা এখানেই নিছি দোস্ত।চল বাসায় (রনি)
অন্যদিন যাব।
অন্যদিন তোকে পাব কই? আর তুই এখানে কেন?তুই না উত্তরায় থাকিস?(রনি)
হুম।ভবঘুরে মানুষতো তাই ঘুরছি।(আমি)
বুঝলাম।তা চলেন এবার আমার বাসায় তোর ভাবির সাথে আলাপ করিয়ে দিব।(রনি)
আমি না করলে আর সেটা হ্যা হয় না ভুলে গেছিস?(আমি)
ঠিক আছে চল চা, বিড়িতো খাওয়া যাক।(রনি)
নারে দোস্ত আজ যেতে হবে। তবে চল দুজনে একটা বিড়ি শেয়ার করি।(আমি)
হা হা হা তুই আর বদলাবি না,চল।(রনি)
হুম চল।
আচ্ছা অবাক বিয়ে করবি না নাকি?(রনি)
নারে এমনিতেই ভাল আছি।বিয়ে মানেই ঝামেলা, আর তাছাড়া মেয়েদের বিশ্বাস করতে পারি না।দেখা গেল বিয়ের পর এ নিয়ে অশান্তি শুরু হল। তার চেয়ে এই ভাল আছি।(আমি)
সবাই সমান নারে।সবাইতো আর পরী না যে উড়ে যাবে।(রনি)
ভেবে দেখব তোর কথা। আজ আসি বন্ধু।ভাল থাকিস।
বলেই চলে আসলাম। জ্যাম কে জয় করে বাসায় আসতে আসতে রাত্রি ১২ বেজে গেল।
৩.
""""""""""""""
কাল রাতে ঘুম হয়নি চোখটা জ্বালাপোড়া করছে।ঘড়ির কাটা বলছে ৮টা৪০ বাজে।এবার উঠে অফিস যেতে হবে।লেট হবে যেতে কিন্তু তাতে আমার কোন সমস্যা হবে না।কারণ নাবিলা আমার বস। সে আমাকে একটুও কড়া কথা বলতে পারবে না।নাবিলা কে একটা ফোন করে দেই।না ফোন বন্ধ, নাকি সত্যি সত্যি কিছু.....।না আমাকে তাড়াতাড়ি অফিস যেতে হবে।তাই নাস্তা না করেই বেড়িয়ে পড়লাম।অফিসে এসেই গেলাম নাবিলার চেম্বারে।নাবিলা নাই,পিয়ন বলল নাবিলা অফিসে আসে নি।চিন্তায় কিছু ভাল লাগছে না।এখন আমার কি করা উচিত? এভাবে খুব কষ্টে লান্স পর্যন্ত অফিসে থাকলাম।এরপর কাউকে কিছু না বলে অফিস থেকে সোজা নাবিলার বাসাতে গেলাম।নাবিলা বাসায় নাই,দড়জায় তালা লাগানো।খোঁজ নিয়ে জানতে পাড়লাম নাবিলা কাল বাসায় ফিরেনি,আর ও একাই থাকে এখানে।বাবা মা অনেক আগেই মারা গেছে।
ছিঃ এটা আমি কী করলাম?একটা এতিম মেয়েকে এভাবে দুঃখ দিলাম।আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন না।নিজেকে আজ বড্ড পাপী মনে হচ্ছে। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করছে।মাথাটা ঝিম ঝিম করছে।নাবিলার বাসা থেকে বের হয়ে আমার বাসায় আসলাম। প্রায় পাশাপাশিই থাকি আমরা, অথচ আমি এসবের কিছুই জানতাম না। নাবিলা এ কেমন ভালবাসা তোমার?কেন আমার জন্য অপেক্ষা করলে না, কেন কেন?রুমে এসে এসব চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি জানি না।ঘুম ভাঙ্গল বার বার কলিং বেলের শব্দে।
খুলে দেখি বাবা-মা দাড়িয়ে।
বাবা,মা তোমরা হঠাৎ?(আমি)
তুমি ভিতরে যাও, আমি আসছি।মাকে বলল বাবা।
কি হল মা কথা বলছ না কেন মা?
কেন আমরা কি আসতে পারি না?(মা)
আমি সেটা বলছি?আর বাবা কোথায় গেল?
ফিরে আসলেই জানতে পারবি। (মা)
আমি আর কথা না বাড়িয়ে আমার রুমে গিয়ে আবার শুয়ে পড়লাম।প্রায় ঘন্টা খানেক পর বাবা আমার রুমে এসে একটা নতুন পাঞ্জাবি দিয়ে বলল পড়ে নাও।
কিন্তু কেন?(আমি)
আজ তোমার বিয়ে গম্ভীর ভাবে বলল বাবা।
কিন্তু বাবা....
কোন কিন্তু নয়। তোমার অনেক কিন্তু শুনেছি আর নয়।এত দিন বলতে তোমার গাড়ি বাড়ি হলে তবেই বিয়ে করবে।আজতো এগুলো হয়েছে। তবে কেন এত কিন্তু।১০মিনিটের মধ্যে রেডি হয়ে আসো।ড্রইং রুমে কাজী সাহেব অপেক্ষা করছেন।বলেই বাবা চলে গেলেন।নিজেকে এই মুহূর্তে শেষ করে দিতে মন চাইছে।কিন্তু কেন জানি পারতেছি না।তাই বাধ্য হয়ে কুরবানির গরুর মত জবাই হতে ড্রইং রুমে আসলাম।পাত্রী লম্বা ঘোমটা দিয়ে বসা।তাকে দেখার বিন্দু মাত্র ইচ্ছা আমার নাই।কেন জানি নাবিলার কথা খুব মনে পড়ছে। কান্নাও পাচ্ছে ভিষণ।কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করেছেন। পাত্রীর নাম বললেন তামান্না বিনতে নাবিলা।তবে কি আমি নাবিলাকেই বিয়ে করতে যাচ্ছি।হুম আমি নাবিলাকেই বিয়ে করছি আর আমরা এখন বাসর ঘরে।যদিও ঘরটা সাজানো হয়নি।আচ্ছা নাবিলা আপনি এটা কিভাবে করলেন??
আমি আপনার বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বলছি আমার গর্ভে আপনার সন্তান।কিন্তু আপনি এখন তা অস্বীকার করছেন।বাবা কে বললাম আপনি যদি কিছু একটা না করেন তবে আমি মরে যাব।আমার বাবা-মা নেই আপনারাই আমার বাব-মা।আপনার মেয়ের সাথে যদি কেউ এমন করত।তারপরের ঘটনা আপনি যানেন মি. পরীর বর।(নাবিলা)
কাজটা আপনি ঠিক করেন নি।(আমি)
""""""""""""
এইযে এখানে একাকী বসে কি করছেন?কথাটা শুনে পিছন ফিরে তাকালাম।
আ আ আপনি?(আমি)
হুম আমি নাবিলা,এত অবাক হবার কিছু নেই মি.পরীর বর।(নাবিলা)
যার নামই অবাক সে আর কি অবাক হবে?(আমি)
ও আচ্ছা তাই বুঝি?(নাবিলা)
জি তাই।(আমি)
ভাল।তা মি.পরীর বর
আমার প্রশ্নের উত্তরতো দিলেন না??(নাবিলা)
তার আগে বলেন আপনি আমাকে ফলো করেন কেন?(আমি)
কই ফলো করি? এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম, আপনাকে দেখে আসলাম।(নাবিলা)
আচ্ছা মিস নাবিলা আমরা যেন কোথায় চাকুরি করি?(আমি)
এটা কেমন প্রশ্ন?আমরা বনানীতে চাকুরি করি।(নাবিলা)
আর আপনার বাসাটা যেন কোথায়?(আমি)
উত্তরা।(নাবিলা)
আপনি কি জানেন আমরা এখন চন্দ্রিমা উদ্যানের ভিতর। আর সময়টাও সন্ধ্যা ৭.২৫। (আমি)
হুম আসলে এদিকে একটা কাজে আসছিলাম তা.....।(নাবিলা)
ঐ চুপ,একদম চুপ।আমি মিথ্যা পছন্দ করি না।সমস্যা কী তোর?? আর যদি আমাকে ফলো করিস তবে তোর খবর আছে। (আমি)
আমিতো আপনাকে ভালবাসি।আপনাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না।(নাবিলা)
এক কথা বার বার বলতে আমার ভাল লাগে না।এর আগেও অনেক বার বলেছি আজও বলছি আমি তোকে ভালবাসি না।কেন আমাকে বিরক্ত করিস??আর কী বললি বাঁচতে পারবি না? ওকে যা মর গিয়ে।(আমি)
হ্যা তাই মরব,আমি প্রমাণ করে যাব যে আমি আপনাকে কতটা ভালবাসি। আমি আপনার চাওয়াকেই সফল করব।আর কখনো আপনাকে বিরক্ত করব না।
বলেই দৌড়ে চলে গেল নাবিলা। যাবার সময় ওর দুটি চোখে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল।এসব দেখেও আমার এতটুকু মায়া হয়নি।আর কখনো হবেও না। আমি শুধু জানি মেয়েরা ছলনাময়ী, এরা কাউকে ভালবাসতে পারে না।নিজের স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে এদের ভালবাসাও ফুরিয়ে যায়।তখন হেসে হেসে বলে আপনার প্রতি আমার ফিলিংস কাজ করে না।আরে ভাই বলনা আপনার চাইতে ভাল মাল্লু ওয়ালা ছেলে পাইছি।তা না যত দোষ দিবে ফিলিংসের।তাই আমি এসব প্রেমটেমে জড়াতে চাই না। কি ভাবছেন আমি এমনিতেই বলছি?একদম না। আমার জীবনে দু দুবার এমন হয়েছে।
কিন্তু নাবিলার সাথে এমন খারাপ ব্যবহার করাটা কি ঠিক হল?রাগের মাথায় যদি সত্যি কিছু করে বসে?
হুর করলে করবে, তাতে আমার কী?আমিতো আর ওকে ভালবাসিনা।যা হবার হবে আমার তাতে কিছু যায় আসে না।
২.
""""""""""""
ক্রিং ক্রিং ক্রিং
রনির ফোন এ অসময়ে?
হ্যালো রনি বল।
কিরে নবাব কই তুই?(রনি)
আমি বাসায়।
পিছন থেকে কে যেন জোড়ে থাপ্পর মারল।ঘুরে তাকাতেই দেখি রনি।
তুই এখানে?
হুম আমি।আমার বাসা এখানেই নিছি দোস্ত।চল বাসায় (রনি)
অন্যদিন যাব।
অন্যদিন তোকে পাব কই? আর তুই এখানে কেন?তুই না উত্তরায় থাকিস?(রনি)
হুম।ভবঘুরে মানুষতো তাই ঘুরছি।(আমি)
বুঝলাম।তা চলেন এবার আমার বাসায় তোর ভাবির সাথে আলাপ করিয়ে দিব।(রনি)
আমি না করলে আর সেটা হ্যা হয় না ভুলে গেছিস?(আমি)
ঠিক আছে চল চা, বিড়িতো খাওয়া যাক।(রনি)
নারে দোস্ত আজ যেতে হবে। তবে চল দুজনে একটা বিড়ি শেয়ার করি।(আমি)
হা হা হা তুই আর বদলাবি না,চল।(রনি)
হুম চল।
আচ্ছা অবাক বিয়ে করবি না নাকি?(রনি)
নারে এমনিতেই ভাল আছি।বিয়ে মানেই ঝামেলা, আর তাছাড়া মেয়েদের বিশ্বাস করতে পারি না।দেখা গেল বিয়ের পর এ নিয়ে অশান্তি শুরু হল। তার চেয়ে এই ভাল আছি।(আমি)
সবাই সমান নারে।সবাইতো আর পরী না যে উড়ে যাবে।(রনি)
ভেবে দেখব তোর কথা। আজ আসি বন্ধু।ভাল থাকিস।
বলেই চলে আসলাম। জ্যাম কে জয় করে বাসায় আসতে আসতে রাত্রি ১২ বেজে গেল।
৩.
""""""""""""""
কাল রাতে ঘুম হয়নি চোখটা জ্বালাপোড়া করছে।ঘড়ির কাটা বলছে ৮টা৪০ বাজে।এবার উঠে অফিস যেতে হবে।লেট হবে যেতে কিন্তু তাতে আমার কোন সমস্যা হবে না।কারণ নাবিলা আমার বস। সে আমাকে একটুও কড়া কথা বলতে পারবে না।নাবিলা কে একটা ফোন করে দেই।না ফোন বন্ধ, নাকি সত্যি সত্যি কিছু.....।না আমাকে তাড়াতাড়ি অফিস যেতে হবে।তাই নাস্তা না করেই বেড়িয়ে পড়লাম।অফিসে এসেই গেলাম নাবিলার চেম্বারে।নাবিলা নাই,পিয়ন বলল নাবিলা অফিসে আসে নি।চিন্তায় কিছু ভাল লাগছে না।এখন আমার কি করা উচিত? এভাবে খুব কষ্টে লান্স পর্যন্ত অফিসে থাকলাম।এরপর কাউকে কিছু না বলে অফিস থেকে সোজা নাবিলার বাসাতে গেলাম।নাবিলা বাসায় নাই,দড়জায় তালা লাগানো।খোঁজ নিয়ে জানতে পাড়লাম নাবিলা কাল বাসায় ফিরেনি,আর ও একাই থাকে এখানে।বাবা মা অনেক আগেই মারা গেছে।
ছিঃ এটা আমি কী করলাম?একটা এতিম মেয়েকে এভাবে দুঃখ দিলাম।আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন না।নিজেকে আজ বড্ড পাপী মনে হচ্ছে। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করছে।মাথাটা ঝিম ঝিম করছে।নাবিলার বাসা থেকে বের হয়ে আমার বাসায় আসলাম। প্রায় পাশাপাশিই থাকি আমরা, অথচ আমি এসবের কিছুই জানতাম না। নাবিলা এ কেমন ভালবাসা তোমার?কেন আমার জন্য অপেক্ষা করলে না, কেন কেন?রুমে এসে এসব চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি জানি না।ঘুম ভাঙ্গল বার বার কলিং বেলের শব্দে।
খুলে দেখি বাবা-মা দাড়িয়ে।
বাবা,মা তোমরা হঠাৎ?(আমি)
তুমি ভিতরে যাও, আমি আসছি।মাকে বলল বাবা।
কি হল মা কথা বলছ না কেন মা?
কেন আমরা কি আসতে পারি না?(মা)
আমি সেটা বলছি?আর বাবা কোথায় গেল?
ফিরে আসলেই জানতে পারবি। (মা)
আমি আর কথা না বাড়িয়ে আমার রুমে গিয়ে আবার শুয়ে পড়লাম।প্রায় ঘন্টা খানেক পর বাবা আমার রুমে এসে একটা নতুন পাঞ্জাবি দিয়ে বলল পড়ে নাও।
কিন্তু কেন?(আমি)
আজ তোমার বিয়ে গম্ভীর ভাবে বলল বাবা।
কিন্তু বাবা....
কোন কিন্তু নয়। তোমার অনেক কিন্তু শুনেছি আর নয়।এত দিন বলতে তোমার গাড়ি বাড়ি হলে তবেই বিয়ে করবে।আজতো এগুলো হয়েছে। তবে কেন এত কিন্তু।১০মিনিটের মধ্যে রেডি হয়ে আসো।ড্রইং রুমে কাজী সাহেব অপেক্ষা করছেন।বলেই বাবা চলে গেলেন।নিজেকে এই মুহূর্তে শেষ করে দিতে মন চাইছে।কিন্তু কেন জানি পারতেছি না।তাই বাধ্য হয়ে কুরবানির গরুর মত জবাই হতে ড্রইং রুমে আসলাম।পাত্রী লম্বা ঘোমটা দিয়ে বসা।তাকে দেখার বিন্দু মাত্র ইচ্ছা আমার নাই।কেন জানি নাবিলার কথা খুব মনে পড়ছে। কান্নাও পাচ্ছে ভিষণ।কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করেছেন। পাত্রীর নাম বললেন তামান্না বিনতে নাবিলা।তবে কি আমি নাবিলাকেই বিয়ে করতে যাচ্ছি।হুম আমি নাবিলাকেই বিয়ে করছি আর আমরা এখন বাসর ঘরে।যদিও ঘরটা সাজানো হয়নি।আচ্ছা নাবিলা আপনি এটা কিভাবে করলেন??
আমি আপনার বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বলছি আমার গর্ভে আপনার সন্তান।কিন্তু আপনি এখন তা অস্বীকার করছেন।বাবা কে বললাম আপনি যদি কিছু একটা না করেন তবে আমি মরে যাব।আমার বাবা-মা নেই আপনারাই আমার বাব-মা।আপনার মেয়ের সাথে যদি কেউ এমন করত।তারপরের ঘটনা আপনি যানেন মি. পরীর বর।(নাবিলা)
কাজটা আপনি ঠিক করেন নি।(আমি)
ঐ চুপ, একটা কথাও বলবি না।আমি তোকে ভালবাসি,তোকে পাওয়ার জন্য আমি সব করতে পারি এবং করেছি।আর তুই যদি কখনো আমাকে ছেড়ে যাওয়ার কথাও ভাবিস, তবে খুন করে ফেলব তোকে।(নাবিলা)
কর্লার ছাড়োনা বউ, স্বামীর কর্লার ধরতে নেই।(আমি)
উ হু আগে পরী বউ বল তারপর।(নাবিলা)
ঐ টা তো আমার ছলনাময়ী........
একটা ছলনাময়ীকে পরী বউ ডাকতে পারলে নিজের বউকে কেন ডাকতে পারবে না?নাকি আমি দেখতে খারপ হু??(নাবিলা)
আরে না আমার বউটাতো অনেক সুন্দরী।আমার কল্পনার পরী। আজ থেকে তুমিই আমার একমাত্র গুন্ডি পরী বউ।(আমি)
কি আমি গুন্ডি??বলেই আমাকে মারতে শুরু করল।আর আমি আমার গুন্ডি বউকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ওর কানে কানে ফিস ফিসিয়ে বললাম
♥
♥ভালবাসি অনেক আমার পরী বউটাকে
♥
♥
কর্লার ছাড়োনা বউ, স্বামীর কর্লার ধরতে নেই।(আমি)
উ হু আগে পরী বউ বল তারপর।(নাবিলা)
ঐ টা তো আমার ছলনাময়ী........
একটা ছলনাময়ীকে পরী বউ ডাকতে পারলে নিজের বউকে কেন ডাকতে পারবে না?নাকি আমি দেখতে খারপ হু??(নাবিলা)
আরে না আমার বউটাতো অনেক সুন্দরী।আমার কল্পনার পরী। আজ থেকে তুমিই আমার একমাত্র গুন্ডি পরী বউ।(আমি)
কি আমি গুন্ডি??বলেই আমাকে মারতে শুরু করল।আর আমি আমার গুন্ডি বউকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ওর কানে কানে ফিস ফিসিয়ে বললাম
উৎসর্গঃআমার কল্পনার পরী বউকে

0 comments:
Post a Comment