বঙ্গবন্ধু মৃত্যুর পরে এমন হাল কেন
টানা ৩৬ ঘন্টা বঙ্গবন্ধুর মৃতদেহ ধানমন্ডি ৩২ এর বাড়ির সিঁড়ির নিচে পরে রইলো,কোনও মুজিব প্রেমী সেদিন সাহস করেনি ওনার লাশটা দেখার!এমনকি কোথাও সেদিন মিছিল হয়নি মুজিব হত্যার বিচার চাই।
বঙ্গবন্ধুকে প্রটেক্ট করার জন্য গড়ে তোলা রক্ষীবাহিনী সেদিন মেজর ফারুকের একটি ট্যাঙ্কের সামনেই আত্মসমর্পণ করে। আজ আওয়ামী লীগের ৯০% মুক্তিযুদ্ধা। কীসের এতো ভয় ছিলো তাদের যাঁর ৪ বছর আগে দেশ স্বাধীনে অংশগ্রহণ করেছিল?নাকী তাদের বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা ছিলো না?? মাত্র ৯০০ জন আর্মি পুরো বাংলাদেশ দখল করে ফেললো৷অথচো মাত্র ৪ বছর আগে ৯০ হাজার+ আর্মি বাঙ্গালির কাছে পরাজিত হয়ে আত্মসমর্পণ করে। টুঙ্গিপাড়ায় যখন বঙ্গবন্ধুর লাশ যায়,টুঙ্গিপাড়ার মানুষ সেদিন যুদ্ধের চেয়ে বেশি ভয়ে ছিলো,কয়েকজনকে ধরে নিয়ে আসে জানাজার জন্য।কীসের এতো ভয় ছিলো?
আজ যারাঁ নিজেদের খাঁটি আওয়ামী লীগ দাবি করে,ওনারা কোথায় ছিলো সেদিন?? সেদিন সবাই চুপসে ছিলো।এমনকি বঙ্গবন্ধুর বাড়ি থেকে জিনিসপত্র লুটে ব্যস্ত ছিলো একদল।
আজ ভাষ্কর্য নিয়ে ওদের কী মায়া।আজ বঙ্গবন্ধুর জন্য কত মায়া কান্না মিডিয়ার সামনে,সেদিন জীবন্ত মুজিবকে এক নজর দেখতে কেউ যায় নি,আজ মৃত মুজিবের ভাস্কর্যের জন্য ওদের মায়া হয়।তেল বাজি ছেড়ে দিয়ে হক কথা বলতে শিখেন। আমি চ্যালেন্জ দিয়ে বলতে পারবো,শেখ হাসিনা ছাড়া কেউই আওয়ামী লীগ করে না।ক্ষমতাচ্যুৎ হলে আজকের আওয়ামী সমর্থকরা মায়া কান্না করা পাবলিক গুলাই প্রথমে গিয়ে ভাষ্কর্যে হাতুড়ি আর শাবল চালাবে। বড় ভয় হয় তাদের,যাঁরা আওয়ামী লেবাস ধারন করে অতীত থেকে বেঁচে পালায়। জীবন্ত মুজিব যতটাই সাহসী ছিলো,মৃত মুজিব ততটাই অসহায় ছিলো।
আওয়ামী লেবাসের অন্তরালের দালালদের পরিনতি দেখে যাবো,কারন খন্দকার মোস্তাক এ দলেরই লোক ছিলো,বিরোধী দল নয়।
সুতরাং,সাধু সাবধান অতী প্রেমে ক্ষতি তৈরি করতে এসো না।শেখ মুজিব এদেশের মানুষের অন্তরে যুগে যুগে থাকবে তাঁর কর্মে। কিন্তু মূর্তি বানিয়ে তেল বাজি করে এ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করবেন না।
’নাম নাজানা ভাই থেকে লেখা নেওয়া’


0 comments:
Post a Comment